web counter

অস্ট্রেলিয়াকে টেস্টে প্রথমবারের মত হারিয়ে ঈদের খুশিতে ভাসছে বাংলাদেশ

বলে কয়েই অজিদের হারিয়ে দিল টাইগাররা। সাকিব-মিরাজ-তাইজুলের স্পিন নৈপুণ্যে মিরপুর টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে ২০ রানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো অজিদের বিপক্ষে টেস্টে জয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশ।

ওয়ার্নার ঝড়ের পর নিভে যেতে বসেছিল টাইগার শিবিরের আশার প্রদীপ। ডেভিড ওয়ার্নার-স্টিভেন স্মিথ ১৫৮ রানের জুটি ভেঙে সেই প্রদীপে নতুন সলতে লাগালেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।

সাকিবকে সঙ্গ দিয়েছেন আরেক বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। সাকিবের ৫ উইকেটের পাশাপাশি তাইজুলের শিকার ৩। ১৪ টেস্টে তাইজুলের মোট উইকেট ৫২টি।

এর আগে ২ উইকেটে ১০৯ রান নিয়ে চতুর্থ দিনের ব্যাটিং শুরু করে অস্ট্রেলিয়া। ওয়ানডে স্টাইলে ব্যাট চালিয়ে নিজের ১৯তম টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নেন অজি ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার। তার সেঞ্চুরিতে জয়ের আশা ফিরে পায় অস্ট্রেলিয়া। তবে অজিদের সেই আশার গুড়ে বালি ঢেলে দিলেন টাইগার অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।

ওয়ার্নারের ফিরে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর অধিনায়ক স্মিথকেও একই পথ দেখান সাকিব। এরপর শুধুই আসা-যাওয়া। সাকিব-তাইজুল ঘুর্ণিতে একে একে ফিরে যান পিটার হ্যান্ডসকম্ব, ম্যাথিউ ওয়েড ও অ্যাস্টন ও্যাগার।

শেষ স্বীকৃত ব্যাটসম্যান ম্যাক্সওয়েলকেও টিকতে দিলেন না সাকিব। লাঞ্চ বিরতির পরপরই বোল্ড হয়ে সাজঘরের পথে হাটেন ম্যাক্সি (১৪)।

এরপর নাথান লায়নকে হারিয়ে অসুস্থ হ্যাজেলউডকে মাঠে নামায় অস্ট্রেলিয়া। উদ্দেশ্য কামিন্সকে সঙ্গ দেয়া। কামিন্সও পার্টনার পেয়ে জ্বলে উঠেছিলেন। হাকিয়েছেন ৩টি চার ও ২টি বিশাল ছক্কা।

তবে শেষ রক্ষা আর হলো না। পঞ্চম বাংলাদেশি বোলার হিসেবে টেস্টে ৫০ উইকেট নেয়া তাইজুলের বলে এলবিডব্লিউ’র ফাঁদে পড়ে বিদায় নেন হ্যাজেলউড। অলআউট হয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ

বাংলাদেশ- ২৬০/১০ (সাকিব ৮৪, তামিম ৭১) ও ২২১/১০ (তামিম ৭১)

অস্ট্রেলিয়া- ২১৭/১০ (সাকিব ৬৮/৫) ও ২৪৪/১০ (সাকিব ৭৩/৫)

ম্যান অফ দ্য ম্যাচ: সাকিব আল হাসান (১ হাফসেঞ্চুরি ও ১০ উইকেট)

About munna

Leave a Reply