web counter

সাকিবের সবচেয়ে ‘বাজে অভিজ্ঞতা’

টি-টোয়েন্টি ​ক্রিকেটের বিশ্ব সেরাদের একজন তিনি। সাকিব আল হাসানকে কিছুতেই হাতছাড়া করতে রাজি হয় না কলকাতা নাইট রাইডার্স। খেলার জন্য ডাক পড়ে বিগ ব্যাশে, ইংলিশ কিংবা ক্যারিবিয়ান টি-টোয়েন্টি লিগে। সাকিবের জন্য বড় দর হাঁকিয়েছে ​পিএসএলের করাচিও। রেকর্ড-র‍্যাঙ্কিংও কথা বলে তাঁর হয়ে। সেই সাকিবের আজ টি-টোয়েন্টি সবচেয়ে বাজে অভিজ্ঞতা হলো।

৪ ওভার বোলিং করে ৪৫ রান দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি এর আগে ৪০ রান দিয়েছিলেন একবারই। সেটিও ৪০ মাস আগের ঘটনা। এটা অবশ্য সাকিবের সবচেয়ে বাজে ইকোনমি রেট নয়। ২০১৪ সালের এপ্রিলে ঢাকায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৩ ওভারে ৩৬ রান দিয়ে উইকেটশূন্য ছিলেন। ওভার পিছু গড়ে ১২ করে রান দিয়েছিলেন। আজকের ইকোনমি রেট ১১.২৫। টি-টোয়েন্টিতে আর একবারই ১০ কিংবা এর বেশি ইকোনমি রেট আছে তাঁর। ২০১২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৪ ওভারে দিয়েছিলেন ৪০।

আজ অবশ্য মুস্তাফিজ আর আল আমিন ছাড়া কেউই ভালো বোলিং করেননি। মুস্তাফিজ ৪ ওভার বোলিং করে মাত্র ১৮ রান দিয়ে পরপর দুই বলে দুই উইকেট নিয়েছেন। ২৪ রানে দুই উইকেট নিয়েছেন আল আমিন।

তবে সাকিবের কাছে প্রত্যাশা বেশি থাকে। বিনা উইকেটে ১০১ তুলে ফেলেছিল জিম্বাবুয়ে। ভুসি সিবান্দাকে ফিরিয়ে সাকিবই প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দেন। কিন্তু প্রথম ওভারেই ১৫ রান দিয়ে ফেলা সাকিব আর ছন্দে ফিরতে পারেননি বাঁ হাতি স্পিনে। পরে সহজ একটি ক্যাচও ফেলেছেন। জিম্বাবুয়ে ৫টি ছক্কা হাঁকিয়েছে, তিনটিই সাকিবকে।

ঘরোয়া টি-টোয়েন্টিতেও সাধারণত এত খরুচে বোলিং করেন না সাকিব। অবশ্য গত বিপিএলে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের বিপক্ষে কোয়ালিফায়ার ম্যাচে ৪ ওভারে ৪২ রান দিয়ে উইকেটশূন্য ছিলেন। বিপিএলের প্রথম আসরে খুলনার হয়ে খেলা সাকিব ঢাকার বিপক্ষে ৪ ওভারে ৪৫ রান দিয়ে ছিলেন উইকেটশূন্য। ২০১৩ বিপিএলে ঢাকার হয়ে খেলে এবার খুলনার বিপক্ষে ৪৩ রান দিয়ে কোনো উইকেট পাননি।
অবশ্য সাকিবের মতো খেলোয়াড়দের জাদুটা হলো, বোলিংয়ের ব্যর্থতা ব্যাটিং দিয়ে ভুলে দিতে পারেন। জিম্বাবুয়ে চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে ফেলায় সাকিবের দিকে তাকিয়ে থাকবে বাংলাদেশ।

About munna

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *